ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
কম প্রোটিনে ব্যাহত হচ্ছে শিশুর বিকাশ

কম প্রোটিনে ব্যাহত হচ্ছে শিশুর বিকাশ

0
43

 

অনলাইন ডেস্কঃ

অধিকাংশ মানুষের মধ্যে সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নানা ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। বিশেষত, গর্ভাবস্থায় কী ধরনের খাবার খাওয়া উচিত, সন্তান ও মা দু’জনের শরীরের জন্য কতটা প্রোটিন, ভিটামিন জরুরি সেগুলো নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। প্রায় ৯৭ শতাংশ গর্ভবতী মহিলা প্রতি দিনের খাবারে সব উপাদানের গুরুত্ব সম্পর্কে জানেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রোটিন ও ভিটামিন কম এবং কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার অধিক খাওয়ার জেরে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশুদের বড় হয়ে ওঠার জন্য প্রোটিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মস্তিষ্কের বিকাশেও প্রোটিন খুব জরুরি। শুধু পেশি মজবুত নয়, দেহের প্রতিটি কোষ তৈরিতে প্রোটিনের গুরুত্বপূ্র্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ত্বক, চুল ভাল রাখতেও প্রোটিন জরুরি। শিশুদের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন— সব কিছুর মাঝে  ভারসাম্য থাকা জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ কেয়া ঘোষের বক্তব্য, প্রতি দিনের খাবারের মেনুতে আমিষ খাবারের পরিমাণ পর্যাপ্ত থাকে। তাঁর কথায়, ‘‘নিরামিষ খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে না। কিন্তু আমিষ খাবারে সেটা থাকে। বাঙালির খাবারের মধ্যে যে বৈচিত্র থাকে সেটা খাবারে সামঞ্জস্য তৈরি করে। ভাত কিংবা মাংস কোনওটাই বেশি পরিমাণ খাওয়া ঠিক নয়। ভাত, ডাল, মাছ-মাংস সব কিছু খাবারের তালিকায় থাকা জরুরি। তবে, প্রোটিন যেন বেশি না হয় সে দিকেও খেয়াল রাখা দরকার। কারণ অতিরিক্ত মাংস জাতীয় খাবার খেলে ফ্যাট বেড়ে যেতে পারে। সেটা আবার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়।’’ তবে, খাদ্য তালিকায় শুধু নিরামিষ খাবার থাকলে দুধ, সয়াবিন জাতীয় খাবারের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত । কারণ শিশুর বিকাশে প্রোটিন খুব জরুরি। তাই আমিষ কিংবা নিরামিষ যে কোনও খাবারের মধ্যে দিয়ে সেটা শরীরে যেতে হবে। তবে খাবারে সামঞ্জস্য থাকা খুব দরকার। তাই রোজ শুধু হাই-প্রোটিন যেন না হয় সেটাও দেখতে হবে।  শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠতেও প্রোটিন জরুরি। যে কোনও অস্ত্রোপচারের পরে শিশুর শরীরে প্রোটিনের অভাব থাকলে ক্ষতস্থান ঠিক হতে বেশি সময় লাগে। এ ছাড়া অস্ত্রোপচারের পরবর্তী সময়েও সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

LEAVE A REPLY