এই হল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ও ভারতের সংবাদমাধ্যমের পার্থক্য

62
195
অনলাইন ডেস্ক:
ভারত সরকার মনে করে রোহিঙ্গারা সে দেশে থাকলে সন্ত্রাসবাদের হুমকি বাড়বে। সে জন্য রোহিঙ্গাদেরকে বের করে দিতে চাচ্ছে।
কিন্তু সরকারের এই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করছে ভারতেরই একটি সংবাদমাধ্যম। এনডিটিভি অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে ‘রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসবাদের হুমকি’- সরকারের এ দাবির ভিত্তি নাই।
রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান হচ্ছে, এরা আমাদের অর্থনীতির জন্য হুমকি বা বোঝা। সরকারের একাধিক মন্ত্রী গত কয়েকদিনে এ কথাটি বলেছেন।
আবার এখানে বর্তমান সরকারি দলের ঘনিষ্ট লোকেরাই একটা ভাষ্য করে করেছে যে, রোহিঙ্গারা জাতিগতভাবে অধিকমাত্রায় অপরাধপ্রবণ! প্রায়ই অনেককে টিভি শোতে/সামাজিকমাধ্যমে এমন কথা বলতে দেখা যায়।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব ছিল একটা দেশহীন জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে এমন প্রচারণার সত্যমিথ্যা যাচাই করা ইভিডেন্সে ভিত্তিতে। কিন্তু আমরা কি কখনো এমন রিপোটিং দেখি?
বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কিছু মানবিক রিপোর্ট হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তার মধ্যেও চলছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে সরকারি ভাষ্যের অনুকূলে দুর্বল/অযৌক্তিক তথ্য/বক্তব্য নির্ভর রিপোর্টিং। সরকারের দাবি/অবস্থাানের বাইরে গিয়ে সত্য খোঁজার ইচ্ছা চোখ পড়ছেনা বললেই চলে।
আজ একটি অনলাইন পত্রিকা অর্থনীতিবিদদের বরাতে লিখেছে, ‘তারা বলছেন, এই রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা লাখ-লাখ রোহিঙ্গাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে গিয়ে ইতোমধ্যেই চালের দামের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এর ফলে দেশজুড়ে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে।’
অথচ, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মাত্র ১০ শতাংশও বাংলাদেশে এসে চাল ভোগ করছে না। (এবং সরকার এখনো এক টাকাও সহায়তা করেছে বলে ঘোষণা দেয়নি।) চালের দাম বাংলাদেশে বাড়ছে ওরা আসার অনেক আগে থেকেই।

62 COMMENTS