আশাশুনিতে নিজ খরচে সাঁকো করেও হাতছাড়া হতে চলেছে!

0
151

 আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গায় নিজ খরচে সাঁকো নির্মাণকারী আলেক পাটনীর হাতছাড়া হতে চলেছে সর্বস্ব। ফলে অসহায় আলেকের পরিবার চরম বিপাকে পড়েছেন। তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃতঃ আজিত পাটনীর ছেলেআলেক পাটনী ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ইজারা নিয়ে গোয়ালডাঙ্গা খেয়াঘাট পরিচালনা করে আসছেন। যাতয়াত ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় এবং উভয় পাড়ে সামান্য কিছু লোকের যাতয়াত থাকায় কম টাকা পেয়ে এসেছেন। নৌকায় যাত্রী পারাপার খুব কষ্টকর ছিল। তাই যাত্রীরা খেয়া ব্যবহার না করে অন্য পথে যাতয়াত করতো। বাধ্য হয়ে আলেক পাটনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের অনুমতি নিয়ে সেখানে নিজ খরচে বৃহৎ আকারের একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। গরীব আলেককে সাঁকোর টাকা যোগাড়ের জন্য পিডিএফ, ব্র্যাক ও আশা এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছিল। ঋণের টাকা এখনো শোধ হয়নি। যাত্রীরা সাঁকো পেয়ে খুশি ও স্বস্তিতে নদী পারাপার হচ্ছে। কিন্তু তার স্বপ্ন নষ্ট করতে বাদী হয়ে দাঁড়িয়েছেন রাধাবল্লভপুর গ্রাম বর্তমান তেতুলিয়া আদর্শ গ্রামের বক্স গাজীর ছেলে আজিজুল গাজী। তিনি খেয়াঘাটটি ডাকে হাজির হয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে ডেকে নিয়েছেন। ইজারার শর্তাবলীতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, “প্রথমবারে শুধুমাত্র প্রকৃত পেশাদার পাটনী দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।” কিন্তু সে শর্ত না মেনে পাটনী নন এমন ব্যক্তি আজিজুল গাজী অংশ নিয়ে তার বিধিবাম করতে চেয়েছেন। ফলে নিজ খরচে সাঁকো তৈরি করে যাত্রী পারাপারের কাজে নিয়োজিত আলেক পাটনী মহা বিপাকে পড়েছেন। এলাকার বহু মানুষ প্রকৃত পাটনী এবং সাঁকো নির্মাণ করে বহু অর্থ বিনিয়োগকারী আলেককে খেয়াঘাট ইজারা প্রদাণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিবেদন করেছেন।

জি এম মুজিবুর রহমান