আশাশুনিতে চিংড়ি ঘেরে ব্যাপক ভাইরাজ ক্ষতিগ্রস্থ চাষীরা

0
94

গাজী ফারহাদ:

আশাশুনি উপজেলার ও তার আশে পাশের চিংড়ি ঘের গুলোতে ব্যাপক হারে ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে চিংড়ি। সে কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে চাষীরা। জানাগেছে, আশাশুনি উপজেলার ও তার আশে পাশের উৎপদনশীল চিংড়ি শিল্প যা সাদা সোনা নামে খ্যাত বিপর্যয় সে কারণে চাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে । বছরের শুরু থেকে কিছুটা ভাল থাকলেও বর্তামান চিংড়িতে ব্যাপক হারে মোড়ক লেগে অনেক ক্ষতি সাধন হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে বিষয়টি নিয়ে সংশয় বলে মনে করেন। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে পানির গভীরতা বৃদ্ধি ঘেরগুলোতে চিংড়ি চাষের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না করাসহ চাষিরা অসতর্কতাকে দায়ী করে অপরুপার কারণ বলে জানিয়েছেন মৎস কর্মকর্তারা । আশাশুনি ও তার আশে পাশে মোট ১৩,০০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয় রপ্তানি যোগ্য চিংড়ি। চাষীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, একজন ঘের মালিক ১০ বছর ধরে ঘের করে আসছি অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর শুরু থেকে ভাইরাস লেগেই আছে, হারির টাকাতো পড়ে থাক মাছের পোনার টাকা ও এখনো উঠেনি এমন ভাবে চলতে থাকলে আমাদের সর্ব শান্ত হতে বেশি দিন লাগবেনা। আপর একজন চাষী, তিনি বলেন , আমি বহুদিন যাবদ ঘের করে আসছি কোন দিন এমন অবস্থার মধ্যে পড়েনি। আমার ১২০ বিঘার ঘের এবছর মনে হয় মাছের পোনার দামও উঠবেনা তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন , এবছর মাছের, পিপিটি, মাটির আর্দ্রতা ও গভীরতা কম বেশির কারণ হতে পারে এ অবস্থাতার। বিশেষজ্ঞরা আরো অভিমত ব্যক্ত করেন যে, চাষীরা অধিক লাভের আশায় চিংড়ি ঘেরে অধিক পরিমাণ রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকে, সে কারণে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয় এবং চাষের অনুপযোগী হওয়ার কারণ হতে পারে। অপর একজন চাষী বলেন বর্তমানে আমরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ কারণ কক্সবাজারের মাছ বন্ধ হওয়ায় আমরা দিসেহারা হয়ে পড়ি ঘেরে মাছ ছাড়ার জন্য আর ঠিক সেই সময় সুয়োগ বুঝে ভারত থেকে নিন্ম মানের কিছু নফলি নিয়ে এসে চিংড়ি উৎপাদন করে বাজারে ছাড়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী । নিরুপায় হয়ে সেই চিংড়ি ঘেরে ছেড়ে একটি মাছও আমরা বিক্রয় করতে পারেনি। তাই বর্তমান অবস্থার কথা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এমন ভাবে চলতে থাকলে চাষীরা সর্বশান্ত হয়ে যাবে।