আশাশুনিতে ইউপি সদস্যের স্ত্রী মারুফার সংবাদ সম্মেলন

0
115

জি এম মুজিবুর রহমান:

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মারুফা খাতুন সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে পাইথালীস্থ নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মারুফা খাতুন জানান, তার স্বামী ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রিয় ইউপি মেম্বার। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনসেবা করে আসছেন। এতে স্থানীয় জামাত-শিবিরের একটি চক্র তাকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করা ও বেকায়দায় ফেলে ফায়দা লুটার জন্য ষড়যন্ত্র করে আসছে। পাইথালী সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী কাম অফিস সহকারী নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে মোটা অংকের লেনদেন সহ নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছিল। আমার স্বামী মেম্বার এবং প্রতিষ্ঠানের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম মোড়ল নিয়োগের ব্যাপারে কিছুই জানেন না। গত ৭ অক্টোবর সহ-সভাপতি ও আমার স্বামী স্কুলে গিয়ে দেখতে পান যে নৈশ প্রহরী/দপ্তরীকে যোগদান করানো হচ্ছে। সভাপতি আঃ বারী সানা ও প্রধান শিক্ষককে তারা জানতে চান যে, স্কুল পরিচালনা কমিটির মিটিং না করে, কমিটির সকল সদস্যকে না জানিয়ে কিভাবে যোগদান করানো হচ্ছে। তাছাড়া লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগের জবাবও চান তারা। এ নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়। এ দিন সন্ধ্যায় মেম্বার বাজারে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে পেয়ে কথা বলার জন্য ডাকেন, কিন্তু তিনি না উঠলে হাত ধরে তুলে পাশে নিয়ে কথা বলতে যান। তখন প্রধান শিক্ষক হাত কেড়ে নিয়ে তাকে ঘুষি মারেন। এনিয়ে দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে বসে পড়া শিক্ষককে মেম্বার চড় মারলে তিনি মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে শার্টারের সাথে আঘাত পেলে তার মাথা কেটে যায়। এ সময় ২০১৩ সালে নাশকতা, গাছ কাটা সহ বহু ঘটনার নায়ক, জামাত-শিবিরের আঃ হান্নান, কবির, শাহাদাৎ, মাহবুব একত্রে মেম্বারের উপর হামলা চালালে তিনি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যান। এদিন রাতে তারা পুনরায় মেম্বরের বাড়িতে গিয়ে নানা ভাবে উৎপাত করেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারা ঐ চক্রটির ভয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন না। ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়েছে দাবী করে, এব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জোর দাবী জানান তিনি।