অপরাধ প্রতিরোধে চাই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস

1
56

বরুণ ব্যানার্জী: দেশ-বিদেশের নানা খবর জানতে প্রতিটি সচেতন নাগরিকই মুখিয়ে থাকেন। এ জন্য তারা নির্ভর করেন বেতার, টেলিভিশন, সংবাদপত্র বা অনলাইন মিডিয়ার ওপর। সেসব সংবাদ কখনো কাউকে আনন্দ দেয় অথবা বিষণœ করে। তেমনি একটি অনেক বেদনার সংবাদ হচ্ছে ধর্ষণ। যা এক কথায় নারীনির্যাতন হিসেবেই পরিগণিত। ইদানীং পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে ধর্ষণের খবর। বর্তমানে দেশে এটি যেন প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে! ‘ধর্ষণ’ শব্দটি উচ্চারণ করতে যেমন খারাপ লাগে, তেমনিভাবে তা আরও বেশি ঘৃণিত।  সরকারের আন্তরিকতা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের পরও থামছে না ধর্ষণের মতো ন্যক্কারজনক অপরাধ। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। শহরে তো ঘটছেই এখন গ্রামেও তা বেড়ে গেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে ধর্ষকরা পার পেয়ে যাওয়া। অপরদিকে সমাজবিজ্ঞানীরা দায়ী করছেন বিচারহীনতাকে। শিশুরা তো ঘটনার শিকার হচ্ছেই; বাদ যাচ্ছে না প্রতিবন্ধীরাও।  তবে যথাযথ আলামত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। ‘সমাজ’ ও ‘রাষ্ট্র’কেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। নারীকে শুধু ব্যক্তিগত কৌশল, সচেতনতা কিংবা সরাসরি প্রতিরোধই নয় নিজেকে রক্ষার সঙ্গে সঙ্গে সমষ্টিগতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY